সংবাদ শিরোনাম:
ঘাটাইলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন গোপালপুরে বিনামূল্যে ৪ টি হতদরিদ্রের পরিবারের মাঝে বকনা গরু বিতরণ  টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থী আসিফ হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে মাজারের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, এক পক্ষের দখলমুক্ত করার দাবি, অন্য পক্ষের প্রতিবাদ ঘাটাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অযত্ন-অবহেলায় সাগরদীঘি বিনোদন কেন্দ্র ধ্বংসের মুখে ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন  টাঙ্গাইলে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ টাঙ্গাইলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৮৫০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন পুলিশ সুপার নাগরপুরে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী পালিত

ভূঞাপুর চরাঞ্চলে ঘাসের বাজার জমজমাট

  • আপডেট : শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৯১ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলে জমে উঠেছে গো-খাদ্য হিসেবে পরিচিত ঘাসের বাজার। বর্তমানে বিভিন্ন জাতের ঘাস উৎপাদন করে এই জেলার চরাঞ্চলের অনেকেই জীবিকা নির্বাহ করছেন।

জেলার ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চল বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও এখন এই অঞ্চলের কৃষকরা বর্তমানে ঘাসও উৎপাদন করছে।

সরেজমিন ভূঞাপুরের যমুনা নদীর তীরে গোবিন্দাসী ঘাটে এ চিত্র দেখা গেছে। ভোর হতে না হতেই ঘাসের স্তুপ দেখা যায় এখানে। বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখানে আসেন ঘাস কিনতে। গরু-ছাগলের খাদ্য হিসেবে পরিচিত ঘাসের মধ্যে নেপিয়ার, দূর্বাঘাস, গর্বাঘাসসহ আরও অনেক রকমের ঘাসের স্তুপ। এ ছাড়াও এ বাজারটিতে বিক্রি হচ্ছে কাঁঠাল পাতাও। যমুনার চরাঞ্চলের মানুষ এখন এসব বিক্রি থেকেই আয়ের উৎস বের করার পথ খুঁজে পেয়েছেন।

যমুনার তীর ঘেঁষা এই বাজার একসময় টাটকা মাছের বাজার হিসেবে পরিচিত ছিলো। এখন ঘাস বাজার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

জানা গেলো, ঘাসের এ বাজারে প্রতিটি আঁটি আকার ভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। এক আঁটি কাঁঠাল পাতা ৩০ টাকা, দুর্বাঘাস ৭০-৮০ টাকা, গর্বাঘাস ৭০-৮০ টাকা, নেপিয়ার ঘাস প্রকার ভেদে ৩০-৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ঘাস বিক্রি করতে আসা কালিপুর গ্রামের মিজানুর (৩৫) জানালেন, চরাঞ্চলে ঘাস চাষ করেই তা বেচে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। যমুনার পানি বাড়ার কারণে চাষকৃত ঘাস ডুবে যাওয়ায় একটু চিন্তায় আছেন। সারা বছর ঘাস চাষ আর বিক্রি করে তার পরিবারের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ঘাস বিক্রেতা ফজল শেখ (৬০) জানান, ঘাস বিক্রি করে তিনি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছেন। ঘাস বিক্রি করে বর্তমানে অনেক আয় হচ্ছে বলেও জানান তিনি। রুলিপাড়া গ্রামের ঘাস বিক্রেতা রাব্বি (১৯) জানান, ঘাস আর মাছ বিক্রির টাকায় তাদের সংসার চলছে। আবার লেখাপড়ার খরচও চলছে। ঘাস পরিবহনে নিয়োজিত ভ্যান চালক নায়িব (২৭) জানান, ভ্যান নিয়ে প্রতিদিন তিনি এখানে আসেন। ঘাস পরিবহন করে প্রতিদিন গড়ে ৫-৬’শ টাকা উপার্জন হয় তার। ঘাসের ক্রেতা জুরান আলী (৬২) জানান, তিনি তিন আঁটি ঘাস কিনেছেন ৯০ টাকা দিয়ে। এ ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখানে ঘাস কিনতে আসেন।

এ বিষয়ে গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু বলেন, দৈনিক সকালে চরাঞ্চলের অসংখ্য কৃষকরা গোবিন্দাসী ঘাটপাড়ে ঘাস এনে বেচাকেনা করছেন। ক্রেতা-বিক্রেতা বেশি হওয়ায় এখন ওই স্থানটি ঘাসের বাজার হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme