সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

ভূঞাপুর চরাঞ্চলে ঘাসের বাজার জমজমাট

  • আপডেট : শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৬৭ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলে জমে উঠেছে গো-খাদ্য হিসেবে পরিচিত ঘাসের বাজার। বর্তমানে বিভিন্ন জাতের ঘাস উৎপাদন করে এই জেলার চরাঞ্চলের অনেকেই জীবিকা নির্বাহ করছেন।

জেলার ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চল বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও এখন এই অঞ্চলের কৃষকরা বর্তমানে ঘাসও উৎপাদন করছে।

সরেজমিন ভূঞাপুরের যমুনা নদীর তীরে গোবিন্দাসী ঘাটে এ চিত্র দেখা গেছে। ভোর হতে না হতেই ঘাসের স্তুপ দেখা যায় এখানে। বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখানে আসেন ঘাস কিনতে। গরু-ছাগলের খাদ্য হিসেবে পরিচিত ঘাসের মধ্যে নেপিয়ার, দূর্বাঘাস, গর্বাঘাসসহ আরও অনেক রকমের ঘাসের স্তুপ। এ ছাড়াও এ বাজারটিতে বিক্রি হচ্ছে কাঁঠাল পাতাও। যমুনার চরাঞ্চলের মানুষ এখন এসব বিক্রি থেকেই আয়ের উৎস বের করার পথ খুঁজে পেয়েছেন।

যমুনার তীর ঘেঁষা এই বাজার একসময় টাটকা মাছের বাজার হিসেবে পরিচিত ছিলো। এখন ঘাস বাজার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

জানা গেলো, ঘাসের এ বাজারে প্রতিটি আঁটি আকার ভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। এক আঁটি কাঁঠাল পাতা ৩০ টাকা, দুর্বাঘাস ৭০-৮০ টাকা, গর্বাঘাস ৭০-৮০ টাকা, নেপিয়ার ঘাস প্রকার ভেদে ৩০-৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ঘাস বিক্রি করতে আসা কালিপুর গ্রামের মিজানুর (৩৫) জানালেন, চরাঞ্চলে ঘাস চাষ করেই তা বেচে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। যমুনার পানি বাড়ার কারণে চাষকৃত ঘাস ডুবে যাওয়ায় একটু চিন্তায় আছেন। সারা বছর ঘাস চাষ আর বিক্রি করে তার পরিবারের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ঘাস বিক্রেতা ফজল শেখ (৬০) জানান, ঘাস বিক্রি করে তিনি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছেন। ঘাস বিক্রি করে বর্তমানে অনেক আয় হচ্ছে বলেও জানান তিনি। রুলিপাড়া গ্রামের ঘাস বিক্রেতা রাব্বি (১৯) জানান, ঘাস আর মাছ বিক্রির টাকায় তাদের সংসার চলছে। আবার লেখাপড়ার খরচও চলছে। ঘাস পরিবহনে নিয়োজিত ভ্যান চালক নায়িব (২৭) জানান, ভ্যান নিয়ে প্রতিদিন তিনি এখানে আসেন। ঘাস পরিবহন করে প্রতিদিন গড়ে ৫-৬’শ টাকা উপার্জন হয় তার। ঘাসের ক্রেতা জুরান আলী (৬২) জানান, তিনি তিন আঁটি ঘাস কিনেছেন ৯০ টাকা দিয়ে। এ ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখানে ঘাস কিনতে আসেন।

এ বিষয়ে গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু বলেন, দৈনিক সকালে চরাঞ্চলের অসংখ্য কৃষকরা গোবিন্দাসী ঘাটপাড়ে ঘাস এনে বেচাকেনা করছেন। ক্রেতা-বিক্রেতা বেশি হওয়ায় এখন ওই স্থানটি ঘাসের বাজার হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme